তারেক উদ্দিন জাবেদ।লক্ষ্মীপুরঃ লক্ষ্মীপুরের  হাটবাজারগুলোতে হঠাৎ করে বেড়ে চলছে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, রসুন, আদাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম। বাজারে সংকট নেই তার পরও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে জিনিসপত্রের দাম।

করোনাভাইরাস আতঙ্ককে পুঁজি করে হঠাৎ করে এসব নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে এক ধরনের অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লাভের আশায় এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকে ধাপে ধাপে বাড়াতে থাকে এসব জিনিসপত্রের দাম।

লক্ষ্মীপুর জেলাসহ বাজার দর পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ৬৫-৭৫ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৬৫-৭০ টাকা। রসুন বিক্রি হয়েছে ১১০-১৩০ টাকা কেজি। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৮০-১২০ টাকা। প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫৫-৬০ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫০-৫৫ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৪০-৫০ টাকা। প্রতিকেজি আমদানি করা আদা ৩০০-৩৫০ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ২৫০-৩০০ টাকা।

এছাড়া বাজারে প্রতিকেজি ছোলা বিক্রি হয়েছে ৮০-৮৫ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৭৫-৮০ টাকা।

প্রতি কেজি খেজুর বিক্রি হয়েছে ২৫০-৩৫০ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ২৫০-৩০০ টাকা। মশুর ডাল (ছোট দানা) বিক্রি হয়েছে ১৩০-১৪০ টাকা কেজি। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ১২০-১৩০ টাকা।

বিক্রেতাদের অভিযোগ পাইকাররা সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। যার কারণে বেশি দাম দিয়ে এনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে বাজারে যেসব পণ্যের দাম বেড়েছে তার কোনো সংকট নেই। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পণ্য আছে।

এখনই লাগাম টেনে ধরতে না পারলে মুনাফা খোরদের জাতাকলে পিষ্ঠ হয়ে নি:স্ব হবে সাধারণ মানুষ। অতি প্রয়োজনীয় এই পণ্য গুলির দাম নিয়ন্ত্রণে এখনই পাইকারি ও খুচরা বাজারে মনিটরিং অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন বলে মনে করেন ভোক্তারা।

Leave a reply

Please enter your comment!
Please enter your name here