1. redwanlkm30@gmail.com : NewsBangla :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন

লক্ষীপুরে ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

আই নিউজ ডেস্ক
  • সময় বুধবার, ১৭ জুন, ২০২০
  • ৩৮৮ view

দুর্ণীতি ও অর্থ আত্মসাৎসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে পরিষদের সদস্য (মন্জু মেম্বার) ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ঘোষণা করে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। মঙ্গল বার বিকেলে (৯জুন) মন্জু মেম্বার চেয়ারম্যানের বিরুদ্দে তাহার অনাস্থার লিখিত অভিযোগ লক্ষ্মীপুর উপজেলা প্রশাসকের কাছে দিঘলী ইউনিয়নের ৬নং ওয়াডের মেম্বার।

এবিষয়ে স্থানীয় ইউপি পরিষদে ও আ’লীগ নেতাদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। উপজেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগে জানাযায়, দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মুজিবুর রহমান খাঁন দায়ীত্ব নেয়ার পর থেকেই তার ভাই বিএনপি নেতা ফারুক খাঁনকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ভুয়া প্রকল্প তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ করে আসছেন। পরিষদের সদস্যদের না জানিয়ে নীজের ইচ্ছেমত-ভিজিএফ, ভিজিডি, এলজিএসপি প্রকল্প, ৪০দিনের কর্মসূচি, হতদরিদ্রদের বরাদ্দ, কাবিখা প্রকল্প, ওয়ান পার্সেন্টসহ প্রতিটি খাতে অনিয়ম করে আসছেন। দিঘলী বার্তাকে অধিকাংশ পরিষদ সদস্যরা জানান, আমরা তার অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারি না।

প্রতিবাদ করতে গেলেই চেয়ারম্যান শেখ মুজিবুর রহমান খাঁন ও তার ভাই বিএনপি নেতা ফারুক খাঁন আমাদের উপর চড়াও হন ও বিভিন্নভাবে অপমান অপদস্ত করেন। আরো জানা যায়, ওই চেয়ারম্যানের দূর্নীতি-অনিয়ম অর্থ আত্মসাৎ,স্বজনপ্রীতিসহ স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠ ইউপি সদস্যরা ও সাধারণ জনগন। চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগে দুর্নীতি ও অনিয়মের মধ্যে কর আদায়কৃত অর্থ আত্মসাৎ, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের ১% উন্নয়ন খাতের তিন লক্ষ টাকা, ইউপি সদস্য ভাতার বৃহৎ অংশ আত্মসাৎ, ভিজিডি কার্ডের সদস্যদের চাউল আত্মসাৎ, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সদস্যদের বাদ দিয়ে বেনামে প্রকল্প কমিটি করে কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উত্তোলন পুর্বক আত্মসাৎ, দরিদ্র বিমোচনে খাল পুনঃ খনন, পানি নিস্কাসনের একাধিক প্রকল্প থেকে অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন ও আত্মসাৎ, ভিজিডি কার্ড দুর্নীতি, ন্যায্য মুল্যের চাউলের ডিলারশীপ দিয়ে দুর্নীতি।

এছাড়াও পরিষদের মাত্র তিনজন সদস্যকে পর্যায়ক্রমে সকল ওয়ার্ডের প্রকল্প কমিটির সভাপতি দেখিয়ে ৯টি ওয়ার্ডের প্রকল্প সম্পাদনে টাকা উত্তোলন, অসহায় ভুমিহীনদের মাঝে সরকারী গৃহনির্মাণ প্রকল্পের প্রতিটি ঘর বাবদ প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০/৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া সহ আরো বিভিন্ন অভিযোগ। আরো জানা যায়, চেয়ারম্যান শেখ মুজিবুর রহমান খাঁন ও তার ভাই বিএনপি নেতা ফারুক খাঁন মিলে গোয়ালীয়ার খাল দখল করে মাৎস্য খামার তৈরী করেছে। এতে খালে বাঁধ দেওয়ায় একটু বৃষ্টি হলেই পশ্চিম দিঘলী, পুর্ব দিঘলী, দুর্গাপুর ও রমাপুরে পানি জমে যায়। তাতে কৃষকের জমির কয়েক লক্ষ টাকার ফসল নষ্ট হয়ে যায়। কয়েকজন এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, চেয়ারম্যান ও তার ভাই ফারুক খাঁন মিলে এলাকাতে কারো জমিজমা নিয়ে বেজাল হলে বিচারের নামে ঐই জমি নিজেরা দখল করে নেয়।

দিঘলী স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিচনের পুকুর সহ দিঘলী ইউনিয়নের ভিতরে প্রায় ১৫/১৬ টি পুকুর বিচারের নামে দখল করে নিজেরা মাছ চাষ করতেছে। দিঘলী বাজারের সহ-সভাপতি বিনয় পোদ্দারের নতুন দোকান ঘর তৈরীতে দাবীকৃত চাঁদা না পাওয়ায় তার দোকান ঘর দখল করে রাখছে। এরকম হাজারও অভিযোগ চেয়ারম্যান ও তার ভাই ফারুক খাঁনের বিরুদ্ধে আছে। এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান জানান, আমার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসকের কাছে দেয়া সব অভিযোগই মিথ্যা। মেম্বারদের অনিয়মের প্রতিবাদ করা, বিধিবহির্ভুতভাবে ভাতা না দেয়ায়, সামনে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক একটি পক্ষ মান সম্মান ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্য এসব ষড়যন্ত্র করছেন।

আপনার ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © https://inewsbangla.com
Theme Customization BY TVSite.Com